দলিতের আখ্যান
সেলুনে চুল কাটানোর অনুমতি পেলেন দলিতেরা! স্বাধীনতার ৭৮ বছর পর ‘নজির’ গুজরাতি গ্রামে সামান্য চুল কাটানোর অধিকার পেতে কম কাঠখড় পোহাতে হয়নি! দলিতদের হয়ে মাঠে নামেন স্থানীয় সমাজকর্মীরা। ঘরে ঘরে গিয়ে উচ্চবর্ণ এবং নাপিতদের এই প্রথার অসাংবিধানিকতা সম্পর্কে শিক্ষিত করার চেষ্টা চলে। তাতে কাজ না হলে হস্তক্ষেপ করে পুলিশপ্রশাসন। লুকিয়ে চুরিয়ে নয়, পাশের গ্রামে গিয়ে নয়— এক্কেবারে নিজের গ্রামে, তা-ও প্রকাশ্য দিনের আলোয়। ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এমনই ‘ঐতিহাসিক’ ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকল গুজরাতের আলওয়াড়া গ্রাম। শুনে মনে হতে পারে, এ আর এমন কী! শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, স্বাধীনতার পর গত ৭৮ বছরে এমন নজির দেখা যায়নি আলওয়াড়ায়। এত দিন চুলদাড়ি কাটার জন্য পায়ে হেঁটে পাশের গ্রামে যেতে হত গ্রামের দলিতদের। কারণ, ক্ষৌরকারদের দিয়ে চুল কাটানোর ‘অধিকার’ রয়েছে কেবল উচ্চবর্ণের। তেমনটাই নাকি দস্তুর। এটা দেশের লজ্জা! চিরাচরিত সেই প্রথা ভেঙে গত ৭ অগস্ট নিজের গ্রামের সেলুনে বসেই চুল কাটালেন ২৪ বছরের তরুণ কীর্তি চৌহান— এত বছরের ইতিহাসে এই প্রথম বার আলওয়াড়ার ক্ষৌরকারের দোকানে পা পড়ল কোনও দলিতের!২৪ বছরের কীর্তি...