বেদ ত্রিপিটক জেন্দাভেস্তা তোরাত বাইবেল গীতা কোরান প্রভৃতি কাদের জন্য লিখিত হয়েছে হয়েছে ?? অবশ্যই সমাজের মানুষের জন্য । আবার সব কয়টা বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চল ও পরিবেশে লিখিত হয়েছে বিভিন্ন মানুষের দ্বারা । এইসব ধর্মগ্রন্থের লিখনের সময়ও ভিন্ন । বেদ জেন্দাভেস্তা কাছাকাছি , তারপরে ভারতের বৌদ্ধ / জৈন ধর্ম , তারপরে আরবের সেমেটিক ধর্ম ইহুদি খ্রিস্টান এবং সবার পরে মাত্র আঠারো শত বছর আগে কোরান । ভারতের বেদ পারস্যের জেন্দাভেস্তার সময়কাল কাছাকাছি হলেও দুই সমাজের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি জলবায়ু এবং মানুষের বিবর্তন একসাথে হয়নি তাই এই দুই ধর্মগ্রন্থে ফারাক প্রচুর । আবার সেমেটিক ধর্মগুলির উদ্ভব আরবের রুক্ষ মরুতে , এবং এগুলি যেন একটা সিরিজ । তাই তোড়াত এর সাথে বাইবেলের এবং বাইবেলের সাথে কোরানের প্রচুর মিল ।কিছু কিছু জায়গায় মনে হয় কোরান বাইবেল তোড়াতের কপি পেস্ট । রক্ষ মরুর বেদুইনদের সাথে ভারতের নদী উপত্যকায় গড়া ধর্ম এক হওয়ার কথাও নয় । বিশেষ করে কোরানতো আরবের হেজাজ অঞ্চলের লোকেদের জন্য লিখিত হয়েছিল । যখন ধর্মগ্রন্থগুলি লিখিত হয়েছিল তখনের সময় থেকে আজকের সময়ের সমাজ সম্পূর্ণ বদল...
পূর্ব ভারতে মূলত বৃহৎ বঙ্গের ইতিহাসে সেন যুগ একটি অন্ধকারময় যুগ। গৌরবময় পাল যুগে আদি বৌদ্ধ বাঙালি পাল রাজাদের রাজত্ব প্রায় আরাকান থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। রাজধানী ছিল মহাস্থানগড় (এখন পূর্ববঙ্গে)। 12th Century-র প্রথমদিকে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাট থেকে আদি শঙ্করাচার্যের অনুসারী স্মার্ত বৈদিক বৌদ্ধ বিদ্বেষী Estern Ganga dynastyর সাথে আসা এই সেন বংশ প্রাথমিকভাবে পাল রাজাদের অধীনে চাকরি করত। বিশ্বাসঘাতক এই সেন বংশ পাল রাজবংশকে ঠকিয়ে খুন করে বৃহৎ বঙ্গের রাজা হয়ে বসে। এর ফলে এক গৌরবময় বৌদ্ধ যুগের অবসান ঘটে। আদি বাঙালি জাতির যে ইতিহাস কৃষ্টি যা লিখিত আকারে রাখা ছিল বৌদ্ধ মহাবিহারগুলির লাইব্রেরীতে, ব্রাহ্মণবাদী এই সেন বংশ তাদের রাজ শক্তি ব্যবহার করে এগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। বিশ্বের দরবারে যে বৌদ্ধবিহার - মহাবিহার (বিশ্ববিদ্যালয়) গুলি সমাদৃত হতো, এই সেন বংশ তার অধিকাংশ ধ্বংস করে দেয়। বিহারে বিহারে যে বৌদ্ধ শ্রমণ, ভিক্ষু, আচার্য্য, সিদ্ধাচার্য্যরা ছিলেন সবাইকে এরা গণহত্যা করে। সেনেরা এই পবিত্র আদি বঙ্গভূমিকে বৌদ্ধ জৈন শ্রমণদের খুন করে রক্তস্নাত করেছিল। কিছু বৌদ্ধ শ্রমণ, ভিক...
Comments
Post a Comment